1 পরে সদাপ্রভু ঝড়ের মধ্যে থেকে ইয়োবের সঙ্গে কথা বললেন। তিনি বললেন:
2 “এ কে যে অজ্ঞানের মতো কথা বলে
3 পুরুষমানুষের মতো নিজেকে মজবুত করো;
4 “আমি যখন পৃথিবীর ভিত্তিমূল স্থাপন করেছিলাম তুমি তখন কোথায় ছিলে?
5 পৃথিবীর মাত্রা কে চিহ্নিত করল? তুমি নিশ্চয় তা জানো!
6 কীসের উপরে তার অবস্থান খাড়া হল,
7 যখন শুকতারারা একসাথে গেয়ে উঠল
8 “কে দরজার আড়ালে সমুদ্রকে অবরুদ্ধ করল
9 যখন আমি মেঘরাশিকে তার পোশাক বানালাম
10 যখন আমি তার জন্য সীমা নির্দিষ্ট করলাম
11 যখন আমি বললাম, ‘এই পর্যন্তই তুমি আসতে পারবে, আর নয়;
12 “তুমি কি কখনও সকালকে আদেশ দিয়েছ,
13 যেন তা পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে
14 পৃথিবী সিলমোহরের তলায় লেগে থাকা মাটির মতো আকার নেয়;
15 দুষ্টদের আলো দেওয়া হয় না,
16 “তুমি কি সমুদ্রের উৎসে যাত্রা করেছ
17 মৃত্যুর দরজা কি তোমার কাছে প্রকাশিত হয়েছে?
18 পৃথিবীর সুবিশাল বিস্তারের বিষয়টি কি তুমি বুঝে ফেলেছ?
19 “আলোর বাসস্থানে যাওয়ার পথ কোনটি?
20 তুমি কি তাদের স্বস্থানে নিয়ে যেতে পারো?
21 নিশ্চয় জানো, কারণ তখন তো তোমার জন্ম হয়ে গিয়েছিল!
22 “তুমি কি তুষারের আড়তে প্রবেশ করেছ
23 যা আমি সংকটকালের জন্য,
24 কোনও পথ ধরে সেখানে যাওয়া যায়, যেখান থেকে বিজলি বিচ্ছুরিত হয়,
25 প্রবল বৃষ্টিপাতের জন্য কে খাল খুঁড়েছে,
26 যেন জনমানবহীন দেশ,
27 যেন ঊষর পতিত জমি তৃপ্ত হয়
28 বৃষ্টির কি বাবা আছে?
29 কার গর্ভ থেকে বরফ বের হয়েছে?
30 যখন জল জমে পাথরের মতো শক্ত হয়ে যায়,
31 “তুমি কি কৃত্তিকার হার গাঁথতে পারো?
32 তুমি কি নক্ষত্রপুঞ্জকে তাদের নিজস্ব ঋতুতে চালাতে পার
33 তুমি কি আকাশমণ্ডলের বিধান জানো?
34 “তুমি কি মেঘ পর্যন্ত তোমার আওয়াজ তুলতে পারো
35 তুমি কি বজ্রবিদ্যুৎ ঝলসাতে পারবে?
36 কে দোচরাকে বিজ্ঞতা দিয়েছে
37 কার কাছে মেঘরাশি গণনা করার বিজ্ঞতা আছে?
38 যখন ধুলো শক্ত হয়ে যায়
39 “তুমি কি সিংহীর জন্য শিকারের খোঁজ করবে
40 যখন তারা গুহায় গুড়ি মেরে পড়ে থাকে
41 কে দাঁড়কাকের জন্য খাবার জোগায়