1 “এমন জায়গা আছে যেখানে মানুষ রূপো পায়,
2 মানুষ মাটি খুঁড়ে লোহা বের করে|
3 কর্মীরা গুহার মধ্যে আলো নিয়ে যায়|
4 খনি-দণ্ডের ওপর কাজ করবার সময় খনির কর্মীরা গভীর পর্যন্ত মাটি খোঁড়ে|
5 মাটির ওপরে ফসল ফলে,
6 মাটির নীচে নীলকান্ত মণি
7 বুনো পাখিরা মাটির নীচের পথ সম্পর্কে কিছুই জানে না|
8 বন্য পশুরাও কোন দিন সে পথে হাঁটে নি|
9 শ্রমিকরা দৃঢ়তম পাথরকেও ভেঙে ফেলে|
10 শ্রমিকরা পাথর কেটে সুড়ঙ্গ তৈরী করে|
11 শ্রমিকরা জলকে বাঁধ ধরবার জন্য বাঁধ তৈরী করে|
12 “কিন্তু প্রজ্ঞা কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে?
13 আমরা জানি না প্রজ্ঞা কি মূল্যবান জিনিস|
14 গভীর মহাসমুদ্র বলে, ‘আমার কাছে প্রজ্ঞা নেই|’
15 সব চেয়ে খাঁটি সোনার বিনিময়েও তুমি প্রজ্ঞা কিনতে পারবে না|
16 ওফীরের সোনা বা অকীক মণি
17 প্রজ্ঞা সোনা ও স্ফটিকের থেকেও মূল্যবান|
18 প্রবাল বা মণির চেয়েও প্রজ্ঞা মূল্যবান|
19 কূশদেশীয় পোখরাজ মণিও প্রজ্ঞার মতো সমমূল্যের নয়|
20 “তাহলে প্রজ্ঞা কোথা থেকে আসে?
21 পৃথিবীর প্রত্যেকটি জীবন্ত বিষয়ের থেকেই প্রজ্ঞা নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে|
22 মৃত্যু ও ধ্বংস বলে,
23 “একমাত্র ঈশ্বরই প্রজ্ঞার পথ জানেন|
24 ঈশ্বর পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত দেখতে পান|
25 ঈশ্বর বায়ুর গুরুত্ব নিরূপণ করেছেন|
26 এবং সেখানে কতটা জল থাকবে
27 সেই সময় ঈশ্বর প্রজ্ঞাকে দেখেছিলেন এবং এসম্পর্কে ভেবেছিলেন|
28 ঈশ্বর মানুষকে বললেন: ‘প্রভুকে শ্রদ্ধা করো ও ভয় কর সেটাই প্রজ্ঞা|