1 “ইয়োব, তুমি কি দানবাকৃতি সামুদ্রিক প্রাণী লিবিয়াথনকে মাছ ধরার বঁড়শি দিয়ে ধরতে পারো?
2 তুমি কি ওর নাকে দড়ি দিতে পারো
3 লিবিয়াথন কি তাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তোমার কাছে আকুতি জানাবে?
4 চিরদিন তোমার সেবা করার জন্য
5 যেমন করে তুমি একটি পাখির সঙ্গে খেলা কর, তেমন করে কি তুমি লিবিয়াথনের সঙ্গে খেলা করবে?
6 ব্যবসাদাররা কি তোমার কাছ থেকে লিবিয়াথনকে কেনার চেষ্টা করবে?
7 তুমি কি লিবিয়াথনের চামড়ায বা মাথায় মাছ ধরবার বর্শা বা হারপূন বেঁধাতে পারো?
8 “ইয়োব, যদি তুমি একবার লিবিয়াথনের গায়ে হাত দাও তুমি আর কখনো সে কাজ করবে না!
9 তুমি কি মনে কর তুমি লিবিয়াথনকে পরাজিত করতে পারবে?
10 তাকে জাগিয়ে দিয়ে
11 আমাকে কারো কাছ থেকে কিছুই কিনতে হয়নি|
12 “ইয়োব, আমি তোমাকে লিবিয়াথনের পা,
13 কেউই তার চামড়ার দাম দিতে পারে না|
14 কোন লোকই জোর করে লিবিয়াথনের মুখ খোলাতে পারে না|
15 ওর পিঠের পেশী সারিবদ্ধ ভাবে
16 বর্মগুলি এত কাছাকাছি বসানো
17 বর্মগুলি একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত|
18 লিবিয়াথন যখন হাঁচি দেয় তখন আলো ঝলক দিয়ে ওঠে|
19 ওর মুখ থেকে লেলিহান অগ্নি বেরিয়ে আসে|
20 ফুটন্ত কেটলির তলা দিয়ে যেমন জ্বলন্ত ঘাসের ধোঁয়া বের হয়,
21 লিবিয়াথনের নিঃশ্বাসে কয়লা জ্বলে যায়,
22 লিবিয়াথনের গলা ভীষণ শক্তিশালী,
23 ওর চামড়ার কোন কোমল স্থান নেই|
24 লিবিয়াথনের হৃদয় পাথরের মত|
25 যখন লিবিয়াথন জেগে ওঠে, দেবতারাও তখন ভয় পান|
26 তরবারি, বল্লম বা বর্শা যা দিয়েই লিবিয়াথনকে আঘাত করা হোক্ না কেন তা প্রতিহত হয়ে ফিরে আসে|
27 লোহাকে লিবিয়াথন খড়কুটোর মত গুঁড়িয়ে দিতে পারে|
28 তীরের ভয়ে লিবিয়াথন পালিয়ে যায় না|
29 যদি মুগুর দিয়ে লিবিয়াথনকে আঘাত করা হয়, তা যেন খড়ের টুকরোর মতো তার গায়ে লাগে|
30 লিবিয়াথনের পেটের চামড়া ধারালো খোলামকুচির মতো|
31 ফুটন্ত জলের মতো লিবিয়াথন জলকে নাড়া দেয়|
32 যখন লিবিয়াথন সাঁতার দেয় তখন সে তার পেছনে একটি চকচকে পথরেখা রেখে যায়|
33 পৃথিবীর কোন প্রাণীই লিবিয়াথনের মতো নয়|
34 যে প্রাণী সব থেকে বেশী গর্ব করে, লিবিয়াথন তাকেও নিচু নজরে দেখে|