1 বাদে মাপিবার লাগি লাঠির লাখান একটা নল আমার আতো দেওয়া অইলো, আর একজনে কইলা, “হুনো, পবিত্র বায়তুল-মুকাদ্দছ কাবা শরিফ আর কুরবানি খানারে মাপো। মাপিয়া হনো যেরা এবাদত করে তারার পরিমান গনো।
2 অইলে অউ কাবা ঘরর উঠানরে মাপিও না, ইখান বাদ দেও, ইখান তো বিধর্মী অকলরে দেওয়া অইছে। তারা বেয়াল্লিশ মাস ধরি ই পবিত্র জাগা খানরে পাওদি কচলাইবো।
3 আর আমি আমার দুইজন সাক্ষিরে অলা খেমতা দিমু, ই খেমতা পাইয়া এরা কাতর অইয়া ছলার চট ফিন্দিয়া, এক আজার দুইশো ষাইট দিন নবীর লাখান ওহী বাতাইবা।”
4 এরা অইলা হউ জয়তুন গাছ জুড়া, আর হউ চেরাগ দানি জুড়া, তারা তো দীন-দুনিয়ার মালিকর ছামনে উবাত আছইন।
5 কেউ তারার খেতি করতে চাইলে, তারার মুখ থাকি আগুইন বার অইয়া হি দুশমন অকলরে জালাইলিবো। যেকুনু জনে তারার খেতি করাত লাগলে অউ দশায় মউত অইবো।
6 এরা যতদিন নবী হালতে ওহী বাতাইবা, অতো দিন যাতে কুনু মেঘ না অয় এরলাগি আছমানর দুয়ার বন্দ করি দিবার খেমতা তারার আছে। পানিরে লউ বানানি, আর যতবার খুশি অতবার যেকুনু গজব ঢালিয়া জগতর খেতি করার খেমতাও তারার আছে।
7 তারার জবানবন্দি দেওয়া শেষ অইগেলে হাবিয়া দোজখ থাকি হউ জানুয়ার উঠিয়া আইয়া তারার লগে লাড়াই করিয়া, তারারে আরাইয়া খুন করবো।
8 আর তারার লাশ হউ মহান টাউনর রাস্তার মাজে পড়ি রইবো, যে টাউনো তারার মালিকরে সলিবর উপরে লটকাইয়া খুন করা অইছিল। ই টাউনর নাম ঠিক ছাদুম বা মিসর না অইলেও একই লাখানউ খারাপ।
11 বাদে হউ সাড়ে তিন দিন পার অইয়া হারলে আল্লার দেওয়া জান এরার ভিতরে হামাইলো, তেউ এরা পাওয়ো ভরদি উবাইলা। আর যত জনে এরারে দেখলা, হকলেউ ডরাইয়া কাপিলা।
12 বাদে এরা হুনলা, বেহেস্ত থাকি ডাকিয়া জুরে জুরে কওয়া অর, “তুমরা অনো উঠিয়া আইও।” তেউ এরা নিজর দুশমনর ছামনে এক মেঘর চাকাত অইয়া বেহেস্তো গেলাগি।
13 অউ সময় খুব বড় ভৈছাল অইলো, আর হি টাউনর দশ বাটর এক বাট ভাংগি গেল। ভৈছালে সাত আজার মানুষ মরলা। ইতা দেখিয়া বাদ-বাকি হকলে ডরাইয়া বেহেস্তর আল্লার তারিফ করাত লাগলা।
14 অউ নমুনায় দুছরা গজব পার অইলো, অইলে হুনো, তিন নম্বর গজব খুব জলদি আইয়া আজিবো।
15 বাদে সাত নম্বর ফিরিস্তায় তান শিংগা ফুকিলা। তেউ বেহেস্তর মাজে জুরে জুরে এলান করা অইলো, “অখন তো দুনিয়ার বাদশাই আমরার মাবুদ আর তান মসীর হুকুমো আইছে। তাইন যুগ যুগ ধরি চিরকাল বাদশাই করবা।”
16 বাদে হউ চব্বিশ জন মুরব্বি নেতা, যেরা আল্লার ছামনে যারযির তখতো বওয়াত আছলা, এরা আল্লারে সইজদা করিয়া কইলা,
17 “ও সর্ব-শক্তিমান মাবুদ আল্লা,
18 হক্কল জাতিয়ে গুছা করিয়া চিল্লাইছে,
19 বাদে আল্লার বেহেস্তর এবাদত খানার দুয়ার খুলা অইলো, আর এর ভিতরে আল্লাই শাহাদত সন্দুক দেখা গেল। অউ সময় মেঘর জিলকানি, গুড়-গুড়ি ডাক, ঠাটা পড়া, ভৈছাল আর খুব বেশি হিল-মেঘ অইলো।