1 “তুমি কি বড়শি দিয়ে লিবিয়াথনকে টেনে তুলতে পারো
2 তুমি তার নাকে কি দড়ি পরাতে পারো
3 সে কি তোমার কাছে অনবরত দয়া ভিক্ষা করবে?
4 জীবনভোর তোমার দাসত্ব করার জন্য
5 তুমি কি পাখির মতো তাকে পোষ মানাবে
6 ব্যবসায়ীরা কি তাকে নিয়ে ব্যবসা করবে?
7 তুমি কি হারপুন দিয়ে তার চামড়া
8 তুমি যদি তার গায়ে হাত দাও,
9 তাকে বশে আনার যে কোনো আশা মিথ্যা;
10 কেউ সাহস করে তাকে জাগাতে যায় না।
11 কে দাবি করে বলতে পারে যে আমাকেই দিতে হবে?
12 “লিবিয়াথনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিষয়ে, তার শক্তি
13 কে তার বাইরের আচ্ছাদন খুলে নিতে পারে?
14 কে তার সেই মুখের দরজা খোলার সাহস করতে পারে,
15 তার পিঠে সারি সারি ঢাল আছে
16 প্রত্যেকটি ঢাল পরবর্তীটির সাথে এমন ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত
17 সেগুলি পরস্পরের সঙ্গে অটলভাবে জুড়ে আছে;
18 সে হ্রেষাধ্বনি করলে আলোর ঝলক বের হয়;
19 তার মুখ থেকে আগুনের শিখা প্রবাহিত হয়;
20 তার নাক থেকে ধোঁয়া বের হয়
21 তার নিঃশ্বাসে কয়লা জ্বলে ওঠে,
22 তার ঘাড়ে শক্তির বাস;
23 তার শরীরের ভাঁজ আঁটোসাঁটোভাবে যুক্ত;
24 তার বুক পাষাণ-পাথরের মতো কঠিন,
25 যখন সে জেগে ওঠে, তখন শক্তিমানেরাও ভয় পায়;
26 তার দিকে এগিয়ে আসা তরোয়াল কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারে না,
27 সে লোহাকে খড়ের মতো
28 তির ছুঁড়ে তাকে তাড়ানো যায় না;
29 গদা তার কাছে নিছক এক টুকরো খড়মাত্র;
30 তার বগলগুলি খাঁজকাটা খাপরাবিশেষ,
31 অগাধ জলকে সে ফুটন্ত কড়ায় রাখা জলের মতো মন্থন করে
32 সে তার পিছনে এক ঝকঝকে ছাপ ছেড়ে যায়;
33 পৃথিবীর কোনো কিছুই তার সমতুল্য নয়—
34 সব উদ্ধত প্রাণীকে সে অবজ্ঞার চোখে দেখে;