1 “কিন্তু এখন, হে ইয়োব, আমার কথা শুনুন;
2 আমি আমার মুখ খুলতে যাচ্ছি;
3 আমার কথা এক ন্যায়পরায়ণ অন্তর থেকে বেরিয়ে আসে;
4 ঈশ্বরের আত্মা আমাকে সৃষ্টি করেছেন;
5 যদি পারেন তবে আমার কথার উত্তর দিন;
6 ঈশ্বরের দৃষ্টিতে আপনি যেমন আমিও তেমনই;
7 আমাকে ভয় করতে হবে না,
8 “কিন্তু আপনি আমার কানে কানে বলেছেন—
9 ‘আমি শুচিশুদ্ধ, আমি কোনও অন্যায় করিনি;
10 তবুও ঈশ্বর আমার মধ্যে দোষ খুঁজে পেয়েছেন;
11 তিনি আমার পায়ে বেড়ি পড়িয়েছেন;
12 “কিন্তু আমি আপনাকে বলছি, এ বিষয়ে আপনি নির্ভুল নন,
13 আপনি কেন তাঁর কাছে অভিযোগ জানাচ্ছেন
14 যেহেতু ঈশ্বর তো কথা বলেন—এখন একভাবে, তো তখন অন্যভাবে—
15 স্বপ্নে, রাতে আসা দর্শনে,
16 তখন হয়তো তিনি তাদের কানে কানে কথা বলেন
17 যেন তিনি তাদের অন্যায়াচরণ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন
18 যেন খাত থেকে তাদের প্রাণ,
19 “অথবা কেউ হয়তো অস্থিতে অবিরত যন্ত্রণা নিয়ে
20 তাদের কাছে খাবার বিরক্তিকর বলে মনে হয়
21 তাদের শরীর ক্ষয়ে গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়,
22 তারা খাতের কাছে এগিয়ে যায়,
23 তবুও যদি তাদের পাশে থেকে একথা বলার জন্য এক স্বর্গদূতকে,
24 ও তিনি সেই লোকটির প্রতি অনুগ্রহকারী হয়ে ঈশ্বরকে বলেন,
25 তাদের শরীর এক শিশুর মতো সতেজ হয়ে যাক;
26 তখন সেই লোকটি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে পারবে ও তাঁর অনুগ্রহ লাভ করবে,
27 আর তারা অন্যদের কাছে গিয়ে বলবে,
28 ঈশ্বর আমাকে খাদে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছেন,
29 “ঈশ্বর একজন লোকের সঙ্গে এসব কিছু করেন—
30 খাত থেকে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য,
31 “হে ইয়োব, মনোযোগ দিন, ও আমার কথা শুনুন;
32 আপনার যদি কিছু বলার থাকে, তবে আমাকে উত্তর দিন;
33 কিন্তু যদি না থাকে, তবে আমার কথা শুনুন;