1 রুপোর জন্য খনি আছে
2 ভূগর্ভ থেকে লোহা উত্তোলন করা হয়,
3 নশ্বর মানুষ অন্ধকার নিকাশ করে;
4 লোকালয় থেকে বহুদূরে অবস্থিত এমন স্থানে তারা খাদ কাটে,
5 যে মাটি থেকে খাদ্য উৎপন্ন হয়,
6 সেখানকার পাষাণ-পাথরগুলিতে নীলকান্তমণি পাওয়া যায়,
7 কোনও শিকারি পাখি সেই গুপ্ত পথ চেনে না,
8 উদ্ধত পশুরা তার উপরে পা ফেলে না,
9 মানুষজন তাদের হাত দিয়ে সেই অতি কঠিন পাষাণ-পাথরে হামলা চালায়
10 তারা পাষাণ-পাথর খুঁড়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করে;
11 তারা নদীর উৎসস্থলের খোঁজ করে
12 কিন্তু প্রজ্ঞা কোথায় পাওয়া যাবে?
13 কোনও নশ্বর মানুষ তার মূল্য হৃদয়ঙ্গম করতে পারে না;
14 অগাধ জলরাশি বলে, “আমাতে তা নেই”
15 খাঁটি সোনা দিয়ে তা কেনা যায় না,
16 ওফীরের সোনা দিয়ে,
17 তার সাথে সোনা বা স্ফটিকের তুলনা করা যায় না,
18 প্রবাল ও জ্যাসপারের কথাই ওঠে না;
19 তার সাথে কূশ দেশের পোখরাজের তুলনা করা যায় না;
20 তবে প্রজ্ঞা কোথা থেকে আসে?
21 প্রত্যেক সজীব প্রাণীর চোখে তা অজ্ঞাত থাকে,
22 বিনাশ ও মৃত্যু বলে,
23 ঈশ্বরই প্রজ্ঞার কাছে পৌঁছানোর রাস্তা জানেন
24 যেহেতু তিনি পৃথিবীর প্রান্ত পর্যন্ত দেখেন
25 যখন তিনি বাতাসের প্রভাব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন
26 যখন তিনি বর্ষার জন্য এক আদেশ জারি করেছিলেন
27 তখন তিনি প্রজ্ঞার দিকে তাকিয়েছিলেন ও তার মূল্য নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন;
28 আর তিনি মানবজাতিকে বললেন,